মন খারাপের গন্ধ
দেখতে দেখতে রোদ কেটে আজ মেঘলা আকাশ।
মেঘের ছায়ায় জলের ফোঁটার শব্দ ফেরে।
কোন গাছে ফুল, কোনটাতে আজ শুধুই ফাঁকা,
মন খারাপের গন্ধটা খুব যাচ্ছে বেড়ে।
এক পা দু পা হাঁটতে গিয়েই হোঁচট খেয়ে,
টালমাটাল এই শরীরটাকে টানতে থাকি –
ঝিরঝিরোনো হালকা, নরম বাতাস বেয়ে
গন্ধ আসে – মন খারাপের খাজনা বাকি।
কোন দিকে আজ উড়তে যাবে একলা চড়ুই?
ধান ছড়ানো কোন উঠোনের সন্ধানেতে?
ভাবনা ছেড়ে আজকে বরং পাশ ফিরে শুই,
তন্দ্রা ভাঙে মন খারাপের গন্ধ পেতে!
পশ্চিমে ওই লালচে আলো, সন্ধ্যে নামে;
দিন ফুরোলে নিঃস্ব শহর ফিরবে ঘরে।
ব্যস্ত পথে ক্লান্ত টায়ার ভিজছে ঘামে।
জানলা দিয়ে নিয়ন সাইন যাচ্ছে সরে।
আজকে ছুটি, কালকে যদি আকাশ আবার
পাল্লা দিয়ে কান্না ভেজা বৃষ্টি মাপে –
অল্প সময় হেলান দিয়ে পদ্য ভাবার।
গন্ধ ছিল। গন্ধ আছে। মন খারাপের।।
সৌমেন ভট্টাচার্য
সৌমেন ভট্টাচার্য কর্মসূত্রে সপরিবার ওহায়োবাসী। কাজের ফাঁকে সঙ্গীতচর্চা আর কখনো কিছু কিছু লেখা বা আঁকার প্রচেষ্টা চলে। এর আগে কিছু লেখা, আঁকা ভারতের ও এ দেশের পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়েছে। এই পদ্যটি নবদিগন্ত পূজাবার্ষিকীর জন্যই রচিত।

